1. scka.tk@gmail.com : sckabd : SCKA Org

অপরুপ সৌন্দর্যের কক্সবাজার: ও সাধারণ জ্ঞান

একি অপরুপ রুপে মা তোমায় হেরিনু পল্লি জননী ফুলে ও ফসলে কাদা মাটি জলে ঝলমলে লাবণী

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র পযটক নগরী কক্সবাজার অবস্থিত। কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী । একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল। প্যানোয়া শব্দটির অর্থ ‘হলুদ ফুল’। অতীতে কক্সবাজারের আশপাশের এলাকাগুলো এই হলুদ ফুলে ঝকমক করত। এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন । কক্স সাহেবের বাজার হতে কক্সবাজার নামের উৎপত্তি ।

:: সংক্ষিপ্ত তথ্য বিবরণী::
সীমানা: উত্তরে-চট্রগ্রাম, পূর্বে-বান্দরবান পার্বত্য জেলা ও মিয়ানমার, পশ্চিম ও দক্ষিনে-বঙ্গোপসাগর ।
আয়তন: ২,৪৯১.৮৬ বর্গ কিঃমিঃ। বৃষ্টিপাত : বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ৩,৩৭৮ মিলিমিটার ।
সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা: জুন মাসে ৩৯.৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ।
সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা: জানুয়ারী মাসে, ১১.৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বার্ষিক গড় আর্দ্রতা : ৮৩ শতাংশ
প্রধান নদনদী: মাতামুহুরী, বাঁকখালী, রেজু, কোহালিয়া ও নাফ ।
প্রধান দ্বীপ: মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহ্পরীর দ্বীপ, ছেডাঁ দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন

::প্রশাসনিক বিভাগ::
প্রশাসনিক ইউনিট: উপজেলার সংখ্যা: ০৮ টি, ইউনিয়নের সংখ্যা: ৭১ টি, গ্রাম: ৯৯২ টি
পৌরসভা: কক্সবাজার, চকরিয়া, টেকনাফ ও মহেশখালী ।
থানা : ০৮ টি, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র: ৩ টি, হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি : ৫ টি, পুলিশ ফাঁড়ি : ৫ টি, মৌজাঃ ১৮৮টি
জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা-০৪টি : কক্সবাজার- ১ (চকরিয়া-পেকুয়া), কক্সবাজার- ২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া), কক্সবাজার- ৩ (কক্সবাজার সদর-রামু ), কক্সবাজার- ৪ (টেকনাফ-উখিয়া)
::: বর্ণনা :::
বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার। ১২০ কিলোমিটার লম্বা দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের বালুকাময়ের উপর খালি পায়ে হেটে যেতে পারেন। উপভোগ করতে পারেন নীল সমুদ্রের ঢেউ। তীরে আচড়ে পড়া ঢেউয়ের শব্দ যেন জীবনের না পাওয়ার আর্তনাদ, হাহাকার! রোমাঞ্চকর জীবনের গল্প বা ব্যর্থতা কিংবা হতাশার গল্প হারিয়ে যায় উত্তাল জলরাশির শব্দে। এক পাশে পাহাড়, সারি সারি ঝাউবন, সামনে বিশাল নীল জলরাশির কখনো উত্তাল, কখনো স্থির সমুদ্র ৷ কিনারায় নরম বালুকণার স্তর। ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় পুব আকাশে সূর্য উদয়ের সময় কোলাহল মুক্ত শান্ত সমুদ্র! ইন্দ্রজালিক সৌন্দর্য। এ যেন ঘুমিয়ে থাকা কোন নীল দানব। আকাশ হেলান দিয়ে আছে তার উপর! বা পশ্চিমা আকাশে সূর্য নামার সাথে সাথে কক্সবাজারের সম্মোহনী সৌন্দর্য নিয়ে চষে বেড়াতে পারেন নিস্তরঙ্গ জীবন স্রোতের গতি খোঁজতে। অখণ্ড এ সাগর সৈকত দেশী বিদেশি পর্যটকদের উত্তাল ঢেউ এবং মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্থের মায়াজালে আবদ্ধ করে রাখে।
পূর্ণিমার রাতে আকাশের উজ্জ্বল চাঁদ সমুদ্রের নোনাজলে প্রতিফলিত হয়ে উঠে, মাঝরাতেও দিগন্ত বালুরেখা উজ্জ্বল হয়ে উঠে। সমুদ্রের ঢেউ যেন কানে এসে তানপুরা বা বীণার সুর উঠায়।

বিপুল এ পৃথিবীর কতটুকু জানি
দেশে দেশে কত না নগর রাজধানী
মানুষের কত কীর্তি, কত নদী-গিরি সিন্ধু মরু
কত না অজানা জীব,কত না অপরিচিত তরু
রয়ে গেল অগোচরে।

কোথাও নদী-নির্ঝর,কোথাও গিরি-পর্বত,সবুজ অরণ্য, মরুভূমির ধূসর বালি,কোথাও বরফে ঢাকা সব-এ সবই মানুষের জন্য এক অদ্ভুত আকর্ষণ। এ আকর্ষণই মানুষকে টানে আামাদের এই অপরুপ সৌন্দর্যের কক্সবাজার।।

লেখা ও তথ্য পাঠিয়েছেনঃ
শাহ মোহাম্মদ ফয়জুল কবির রিয়াজ
কবি নজরুল সরকারি কলেজ ঢাকা-১১০০
সদস্য: স্বপ্নছায়া ছাত্র কল্যাণ এসোসিয়েশন

© All rights reserved © 2020 SCKABD.COM, PoweredBy SCKA technology team.
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: মেহেদী হাসান
Shares